Header Ads

  • Breaking News

    কিছু কিছু বাচ্চা দাঁত নিয়েই জন্মায়।

    ব্যাপারটা শুনতে খুব অদ্ভুত লাগলেও ব্যাপারটা কিন্তু ঘটে। দাঁত সহ জন্মায় মানে এমন না যে একদম ৩২টা দাঁত নিয়েই জন্মায়। সাধারণত শিশুদের দাঁত ওঠে তার ছয় মাস বয়সের দিকে। কিন্তু প্রতি প্রায় ২৫০০ শিশুর মাঝে একজন শিশুর মাড়িতে একটা বা দুটি খুবই ভঙ্গুর দাঁত দেখা যায়। এই ধরণের দাঁতকে বলা হয় “ন্যাটাল টিথ।“ বেশীরভাগ সময়ই সেই দাঁত হলুদ দেখায়। এই দাঁত খুবই নরম হয়। এর কারণ এ ধরণের দাঁতে এনামেল তখনও সম্পূর্ণভাবে জমে উঠতে পারে না।

    এই দাঁত গুলির বেশিরভাগ সময়েই শিকড় থাকে না, তাই ডেন্টিস্ট রা একটু চেস্টা করেই এই দুধ দাঁত তুলে ফেলতে পারেন। অনেক সময় এই দাঁত এতটাই নরম থাকে যে বাচ্চার জিহ্বার ধাক্কাতেই দাঁত উঠে যায়, যা যে কোনও নবজাতকের জন্য মারাত্মক ব্যাপার, দাঁত গলায় আটকে যেতে পারে। বেশিরভাগ সময়ই বাচ্চা জন্মের পরপরই ন্যাটাল টিথ তুলে ফেলা হয়। দাঁতটি তুলে ফেলার পর মাড়ির অন্য জায়গাতে দাঁত উঠলেও ওই জায়গাতে কোনও নতুন দুধ দাঁত ওঠে না। সব দুধ দাঁত পড়ে যাবার পর নতুন শিকড়ওয়ালা দাঁতের মত সেখানেও স্বাভাবিক দাঁত ওঠে। তাই এরকম কারও বাচ্চার সাথে হলেও চিন্তার তেমন কিছুই নেই। 
    ন্যাটাল টিথ নিয়ে যুগে যুগে নানা ধরণের কথা প্রচলিত আছে। মালয়েশিয়াতে কোন বাচ্চার ন্যাটাল টিথ থাকলে বাচ্চাটিকে খুবই ভাগ্যবান মনে করা হত। আবার চায়না তে এই ধরণের শিশুদের দানব ধরা হত। রোমান দার্শনিক “প্লাইনি দ্য এল্ডার” এর থেকে জানা যায় যে রোমানরা ন্যাটাল টিথ নিয়ে জন্মানো ছেলে বাচ্চাকে ভাগ্যবান মনে করলেও, মেয়ে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটাকে অশনি সংকেত মনে করত।
    ২০১৪ সালে “ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ডেন্টিস্ট্রি” তে একটি রিভিউ আরটিকেল প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয় ন্যাটাল টিথ ব্যাপারটা বংশগতির সাথে সম্পৃক্ত। ১৫% ন্যাটাল টিথ ওয়ালা বাচ্চাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে তাদের পূর্বপুরুষদেরও ন্যাটাল টিথ ছিল।

    No comments

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad