খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে কি মাথাব্যাথা নিয়ন্ত্রন সম্ভব?
নিচে
কিছু খাবারের নাম দেয়া হল যেগুলো অনেকেরই মাথাব্যাথা বাড়িয়ে দেয়। খুঁজে দেখুন আপনার
ক্ষেত্রে কোনগুলি মাথাব্যাথা বাড়িয়ে দেয়। তারপর সেসব খাবার এড়িয়ে চলুন।
- পুরাতন চীজ বা পনির, যেমন শেড্ডার, ব্রি এবং ক্যামেম্বারট।
- এলকোহল জাতীয় পানীয়
যেমন ওয়াইন, বীয়ার এবং হুয়িস্কি।
- আচার, মেরিনেট করা খাবার
এবং ফারমেন্টেড খাবার যেমন পান্তা ভাত।
- যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন আছে যেমন কোকাকোলা, চা এবং কফি।
- চকলেট।
- ইষ্ট ব্যাবহার করা হয় এমন পাওরুটি জাতীয় খাবার।
- Monosodium Glutamate যা সয়াসসে এবং মিট টেন্ডারাইজারে পাওয়া
যায়।
- বাদাম জাতীয় খাবার বা পীনাট বাটার।
- প্রসেসড মিট, যেমন সসেজ।
- সাওয়ার ক্রীম।
- এমিনো এসিড টাইরামিন আছে এমন খাবার।
মাথাব্যাথা
নিয়ন্ত্রনের ক্ষেত্রে কি কি খাবার খাওয়া হচ্ছে তা একটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
নিচের
ব্যাপারগুলিও মাথায় রাখতে পারেন।
- কখনও কখনও শুধুমাত্র এক ধরণের খাবারই মাথাব্যাথার উদ্রেক করে।
যেমন আপনি যদি দেখেন যে চকলেট খাবার পরপরই মাথাব্যাথা শুরু হয়েছে, সেটা খাওয়া থামিয়ে
দেখুন যে মাথাব্যাথা ধীরে ধীরে কমছে কি না।
- মাঝে মাঝে একাধিক খাবার একসাথে খেলে মাথাব্যাথা শুরু হয়। একটা
ডায়েরী রাখতে পারে যেখানে লেখা থাকবে কোন কোন খাবার খেলে মাথাব্যাথা শুরু হচ্ছে।
- মাঝে মাঝে চা কফি খাওয়ার সময় পরিবর্তন করেও ভাল ফল পাওয়া যায়।
- ধরুন আপনার সপ্তাহের কিছু নির্দিষ্ট দিনে মাথাব্যাথা দেখা দেয়।
খেয়াল করে দেখুন ওই নির্দিষ্ট দিনে আপনার খাবারের ধরণে কি কি পরিবর্তন হচ্ছে। মাঝে
মাঝে কোন সময়ের সকাল বা দুপুর বা রাতের খাবার না খেলেও মাইগ্রেনের ব্যাথা শুরু হয়।
এভাবে
নিয়ন্ত্রন করতে গিয়ে আবার এত বেশী খাবার আপনার খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেবেন
না যে আপনি অপুষ্টিতে ভোগা শুরু করেন। খাবারের তালিকা থেকে শুধুমাত্র সেসব খাবারই
বাদ দেবেন যা আপনার ক্ষেত্রে মাথাব্যাথার উদ্রেক করায়। সবচেয়ে ভাল হয় যদি একজন ডাক্তার
বা পুষ্টিবিদের সাথে আপনার সম্ভাব্য খাদ্য তালিকা নিয়ে আলোচনা করেন।

No comments